Home / লাইফ স্টাইল / কয়েকটি লক্ষন যা দেখে বুজতে পারবেন আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হয়েছে…

কয়েকটি লক্ষন যা দেখে বুজতে পারবেন আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হয়েছে…

কয়েকটি লক্ষন যা- এটা বিশ্বাস করা হয় যা শক্ত হাড়ের জন্য শুধু শিশুদের দুধ খাওয়া দরকার । সম্ভবত, আপনারা এটা ভাবেননি যে প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও আপনাদের হাড় আছে এবং সেগুলোর এখন প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম দরকার। ক্যালসিয়াম প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় দুগ্ধ জাতিও খাবারে যেমন দুধ, চিজ, দই, সামুদ্রিক খাবারে এবং সবুজ সবজিতে। ক্যালসিয়াম শরীরের পক্ষে দরকারি যেহেতু এটা রক্তচাপ কমায় এবং হাড় শক্ত করে। বর্তমানে আমরা সবাই অস্বাস্থ্যকর খাবার, জাঙ্ক ফুড, পিঁজা, ভাজাভুজি, বার্গার এবং তেলেভাজা নিয়ে মেতে উঠেছি যা পুষ্টি নষ্ট করছে।

আমাদের জীবন যাপন বর্জিত করছে সমস্ত রকম শারীরিক কার্যকলাপ, এটাই অন্যতম কারন অস্বাস্থ্যকর জীবনের। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ প্রস্তাব দিয়েছে যে পুরুষ ও মহিলা সবারই প্রতিদিন ১০০০MG করে ক্যালসিয়াম দরকার এবং আমি এটা নিশ্চিত যে আমাদের মধ্যে অনেকেই এই জায়াগায় পৌঁছাতে পারছেনা। এটার সাথেই আমরা কিছু জিনিস দেখাতে চাই যেটা আপনাদের সতর্ক করছে ক্যালসিয়ামের অভাব। এটা অকপটভাবে মানুন।

১। পায়ে খেঁচুনি ধরা

যদি আপনারা আপনাদের পায়ে খেঁচুনি ধরা অনুভব করেন, তাহলে এটা ক্যালসিয়ামের অভাবের প্রথম লক্ষণ। এর প্রতিকারে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার রোজকার খাবারে যথেষ্ট ক্যালসিয়াম রয়েছে। তাছাড়া, ক্লেভেলান্ড ক্লিনিক বলেছে যে শোওয়ার আগে পা প্রসারিত করুন তাতে ব্যথা কিছু কম লাগবে। এটা কি বিশ্বাস করেন? না করলে একবার চেষ্টা করে দেখুন !

২। দাঁতের গর্ত

আগের চেয়ে দাঁতের গর্ত বাড়ছে? শুধু মিষ্টিকে দোষ দেবেন না। যখন আমাদের শরীর খাবার থেকে যথেষ্ট ক্যালসিয়াম পায় না, এটি অন্যান্য উৎস থেকে খোঁজে, যেমন আমাদের দাঁত।

৩। অসাড় অবস্থা

পায়ে খেঁচুনি ধরার মতো ক্যালসিয়ামের অভাবের জন্যে আমাদের হাতের স্প্ল্যাশাল স্নায়ু নষ্ট হয়ে যায়। যদি আপনি আগুলের ওপর অস্থিরতা বা ঝলকানি সংবেদন অনুভব করেন তাহলে এখুনি ক্যালসিয়ামের পরিমাণ পরীক্ষা করান।

৪। ভঙ্গুর নখ

দাঁত ও শরীরের মতো নখেও ক্যালসিয়াম থাকে। অতএব, একটি ক্যালসিয়াম-অনাহারী শরীর পুষ্টির জন্য সেখান থেকে ক্যালসিয়াম নেবে। এটার জন্যে আমাদের নখ ভঙ্গুর হয়ে যায়, যদি না আমরা বেশি ক্যালসিয়াম গ্রহণ না করি।

৫। ঘুমের অসুবিধা

মেডিকেল তথ্য আনুসারে ক্যালসিয়াম সেরোটোনিন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা কিনা ঘুমের জন্যে দায়ি। যখন আপনি গভীর ঘুমে যান, তখন আপনার ক্যালসিয়ামের লেভেল বেড়ে যায়। সুতরাং যদি আপনি রাতে কম ঘুমান তাহলে আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব বাড়বে।

৬। বাজে অঙ্গবিন্যাস

কম ক্যালসিয়াম মানে, দুর্বল হাড় এবং দুর্বল হাড় মানে দুর্বল শরীর। আপনার শরীর এই দুর্বলতার জন্যে জবুথবু হয়ে যাবে। এই বাজে অঙ্গবিন্যাসের জন্যে পিঠে ও কাঁধে ব্যাথা বাড়বে।

৭। হৃদরোগের আক্রমণ

জৈবপ্রযুক্তি জাতীয় কেন্দ্র বলছে যে ক্যালসিয়াম পেশী সংকোচন এবং নিউরোট্রান্সমিটার রিলিজ দরকারি। সুতরাং ক্যালসিয়ামের অভাব হৃদরোগের আক্রমণের কারন হতে পারে।

৮। স্মৃতিশক্তি হ্রাস

রিমোট কোথায় মনে করতে পারছেন না? ক্যালসিয়ামের অভাবের জন্যে স্নায়বিক উপসর্গগুলি হয় যেমন স্মৃতিশক্তি হ্রাস ও ভুলে যাওয়া।

ধূমপানের ক্ষতি কমিয়ে আনবে যেসব খাবার

হৃদরোগের অন্যতম কারণ এই ধূমপান। মানবদেহের এমন কোনো অঙ্গ নেই, যা ধূমপানে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। দুরারোগ্য ক্যান্সার, দৃষ্টিহীনতা, যক্ষ্মাসহ বহুবিধ রোগ সৃষ্টিকারী এ ধূমপান থেকে বেঁচে থাকা সুস্বাস্থ্যের জন্য একান্ত জরুরি।

ধূমপায়ীরা খাবারের পুষ্টিগুণ এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সুফল থেকে বঞ্চিত। ধূমপানের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেহাভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো (বিশেষ করে ফুসফুস) গ্রহণ করা খাবারের সুফল থেকে বঞ্চিত হয়।

যাদের ক্ষেত্রে ধূমপান ত্যাগের কোনোই বিকল্প নেই, তারা নির্দিষ্ট খাদ্যাভাসের মাধ্যমে ধূমপানের ফলে সৃষ্ট রোগের ঝুঁকি থেকে অনেকটাই রেহাই পেতে পারেন।

আসুন জেনে নেই ধূমপানের ক্ষতি কমিয়ে আনবে এমন কিছু খাবারের নাম।

সরিষা পাতা

সরিষা ধূমপায়ীদের জন্য বিশেষ উপকারী একটি খাদ্যদ্রব্য। কারণ এটি ফুসফুসের প্রদাহ রোধে সহায়তা করে। পাশাপাশি ধূমপানের ইচ্ছারোধ এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের দুর্বলতা রোধ করে।

কপি জাতীয় সবজি

প্রতিদিন অন্তত একটি কপি জাতীয় সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে ধূমপানের ফলে সৃষ্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায়। কপি জাতীয় সবজির কিছু উদাহরণ হল- স্প্রাউট, ব্রকলি, ফুলকপি, কলমীদল শালুক, রঙিন আরুগুলা, মুলা এবং চীনা বাঁধাকপি।

ক্যাটচিন

ফাইটোকেমিক্যাল যৌগ ক্যাটচিন ধূমপানের ক্ষতি কমাতে বিশেষ সহায়ক হিসেবে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। ব্ল্যাক টি, আঙুর, কালোজাম এবং গাঢ় রঙয়ের চকলেট ক্যাটচিন এর ভালো উৎস।

মিথিওনিন

মিথিওনিন নামক অ্যামিনো অ্যাসিডটি আমাদের ফুসফুসের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। বিভিন্ন ধরনের ফলের বীজ, শস্যদানা, মাছ এবং মাংসে মিথিওনিন থাকে।

ডালিম

বেদানা বা ডালিমে রয়েছে এলাগিক অ্যাসিড, এটি শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে ধূমপায়ীর শরীরের ক্ষতিকর মৌল দূর করে এবং ফুসফুসের কোষসহ শরীরের কোষের ক্ষতি কমাতে সহায়তা করে।

পেঁয়াজ ও রসুন

সালফার যৌগে পরিপূর্ণ পেঁয়াজ এবং রসুন শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যায় উপকারী ভূমিকা পালন করে এবং ফুসফুসকে পরিষ্কার রাখে। পেঁয়াজে আপেল এবং শিমের ন্যায় ‘কোয়েরসেটিন’ থাকে, যা ফুসফুসকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।

 

দেখুন আরও কিছু ভিডিও পোস্ট

সমবয়সী কোন মেয়েকে বিয়ে করলে যে সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়!

পুরুষের হারানো শক্তি ফিরে পেতে লজ্জাবতী গাছ, যেভাবে ব্যবহার করবেন…

স্ত্রীকে খুশি করার সহজ কিছু উপায় জেনে নিন, সারাজীবন কাজে লাগবে.

প্রতিদিন মাত্র ১ টি এলাচ খাওয়ার উপকারিতা..জানলে আপনিও খাবেন!…

আমলকী খেলে কী হয়, জানলে আজ ই খাওয়া শুরু করবেন। 

পেঁয়াজের ১০টি অসাধারন স্বাস্থ্য উপকারিতা জানলে অবাক হবেন… 

হঠাৎ জিহ্বা পুড়ে গেলে কী করবেন? দেখে নিন..

মেহেদি পাতার ব্যবহারে আজীবন সুস্থ থাকুন, যেভাবে ব্যবহার করবেন..

বিনা পয়সার যে খাবারটি যৌ’বন ধরে রাখে ও নতুন চুল গজায়ঃ

২ চামচ পেঁপের বীজের সঙ্গে এক চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে খেয়েছেন কখনো?

আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা যেভাবে ফিরিয়ে আনবেন ভাতের ফ্যান দিয়ে.