Home / লাইফ স্টাইল / শরীরের চুলকানি দূর করার কিছু উপায়

শরীরের চুলকানি দূর করার কিছু উপায়

শরীরের চুলকানি দূর করার কিছু উপায়

বিভিন্ন কারণে আমাদের শরীরে চুলকানি হয়ে থাকে। মশার কামড় কিংবা যে কোন পোকার কামড়ে। শরীরে কোন জায়গায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলেও অনেক সময় ধরে আমরা তা চুলকিয়ে থাকি কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়না বরং চুলকানি আরও বেড়ে যায়।

তাই যে কোন রকমের চুলকানি সারিয়ে তুলতে পারেন ঘরোয়া কিছু উপায়ে।

চলুন জেনে নিই চুলকানি দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায় –

নিমপাতা:

যে কোনো ধরনের চুলকানি দূর করার জন্য নিমপাতার তুলনা হয় না। নিমপাতা সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গা ধুয়ে ফেললেই অনেক সময় চুলকানি চলে যায়। আবার চুলকানির পরিমাণ যদি বেশি হয় অথবা খোচপাচড়া থেকে হয়ে থাকে তাহলে নিমপাতা বেটে সরাসরি শরীরে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলতে পারেন এতেও ভালো উপকার পাবেন।

লেবু:

ভিটামিন সি সমৃদ্ধি লেবুতে আছে ব্লিচিং উপাদান যা ত্বকের চুলকানি রোধ করে থাকে। ত্বকের যে স্থানে চুলকানি অনুভূত হচ্ছে সেস্থানে লেবুর রস লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখবেন চুলকানি গায়েব।

পেট্রোলিয়াম জেলি:

যদি আপনি সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারী হন তবে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শরীরের কোনো অংশে চুলকানি হলে আপনি পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন।

বেকিং সোডা:

চুলকানি প্রতিরোধে বেকিং সোডা অনেক বেশি কার্যকরী। পানি ও বেকিং সোডা দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এক অংশ পানির মধ্যে ৩ অংশ বেকিং সোডা দিতে হবে। তারপর চুলকানির জায়গায় এই পেষ্ট লাগান।

দেখবেন চুলকানি অনেক কমে গেছে। বেকিং সোডা দিয়ে গোসলও করতে পারেন। এক্ষেত্রে বড় এক বালতি পানিতে ১/২ কাপ বেকিং সোডা মেশাতে হবে। বেকিং সোডা মেশানো পানিতে কমপক্ষে ৩০ মিনিট শরীর ভিজিয়ে রাখার পর শরীর পানি দিয়ে না ধুয়ে শুকিয়ে ফেলতে হবে। এতে পুরো শরীরের চুলকানি দূর হয়ে যাবে।

অ্যালোভেরা:

সৌন্দর্য চর্চায় অ্যালোভরার উপকারিতার কথা আমাদের সবার জানা। চুলকানি প্রতিরোধ করতেও অ্যালোভরার অনেক কার্যকরী। একটি তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে রস বের করে চুলকানির স্থানে লাগান। চুলকানি দ্রুত কমে যাবে।

তুলসী পাতা:

কর্পূর সমৃদ্ধ তুলসী পাতা ত্বকের যে কোন ধরণের জ্বালা পোড়া ও চুলকানি তামাতে সহায়তা করে। কয়েকটি তুলসী পাতা ধুয়ে নিন তারপর যেখানে চুলকানি হয়েছে সেখানে পাতা গুলো কিছুক্ষণ ঘষুন। অথবা কিছু তুলসী পাতা পানিতে দিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি জমিয়ে বরফ করে নিন এবং চুলকানির স্থানে ঘষুন।

নারকেল তেল:

নারকেল তেল ত্বকে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পণ্য। যে কোন প্রকার চুলকানি, পোকার কামড় বা অন্য কোনো কারণে ত্বকে চুলকানি হলে যেখানে চুলকাবে সেখানে নারকেল তেল দিয়ে দিন। যদি সম্পূর্ণ শরীরে চুলকানি হয় তবে পুরো শরীরে নারকেল তেল মাখতে পারেন। কুসুম গরম পানিতে নারকেল তেল মিশিয়ে গোসলও করে ফেলতে পারেন।

 

 

দেখুন আরও কিছু ভিডিও পোস্ট

সমবয়সী কোন মেয়েকে বিয়ে করলে যে সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়!

পুরুষের হারানো শক্তি ফিরে পেতে লজ্জাবতী গাছ, যেভাবে ব্যবহার করবেন…

স্ত্রীকে খুশি করার সহজ কিছু উপায় জেনে নিন, সারাজীবন কাজে লাগবে.

প্রতিদিন মাত্র ১ টি এলাচ খাওয়ার উপকারিতা..জানলে আপনিও খাবেন!…

আমলকী খেলে কী হয়, জানলে আজ ই খাওয়া শুরু করবেন। 

পেঁয়াজের ১০টি অসাধারন স্বাস্থ্য উপকারিতা জানলে অবাক হবেন… 

হঠাৎ জিহ্বা পুড়ে গেলে কী করবেন? দেখে নিন..

মেহেদি পাতার ব্যবহারে আজীবন সুস্থ থাকুন, যেভাবে ব্যবহার করবেন..

বিনা পয়সার যে খাবারটি যৌ’বন ধরে রাখে ও নতুন চুল গজায়ঃ

২ চামচ পেঁপের বীজের সঙ্গে এক চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে খেয়েছেন কখনো?

আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা যেভাবে ফিরিয়ে আনবেন ভাতের ফ্যান দিয়ে..