Home / জানা অজানা / শেখ পরিবারের কে এই সুদর্শন তরুণ যিনি রাজনীতির মাঠ কাপাতে আসছেন

শেখ পরিবারের কে এই সুদর্শন তরুণ যিনি রাজনীতির মাঠ কাপাতে আসছেন

শেখ পরিবারের কে এই সুদর্শন- উচ্চ শিক্ষিত তো বটেই, সুদর্শন এবং সুবক্তাও তিনি। সবসময় মুখে হালকা হাসি। চলনে-বলনে এমন একটা ভাব যেন তিনি সবকিছু জয় করতে এসেছেন। ইতোমধ্যে তরুন-তরুনীদের মনও জয় করে ফেলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাকে নিয়ে চলছে আলোচনা। কে এই যুবক?

ঘনিষ্ট মহলে পরিচিত তন্ময় নামে। পুরো নাম শেখ সারহান নাসের তন্ময়। ৩২ বছরের এই যুবক আসলে অন্য কেউ নন। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ভাই শেখ আব্দুল নাসেরের একমাত্র নাতি। তার বাবা আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন।

তন্ময় লন্ডন থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন। দেশে ফিরে ২০১৫ সালে বিয়ে করেছেন। তার স্ত্রীর নাম শেখ ইফরাহ তন্ময়। পেশায় ব্যবসায়ী তন্ময় পরিবারের রীতি বজায় রেখে সম্প্রতি রাজনীতিতে পা রেখেছেন।

আর তাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি আলোচনায় উঠে আসেন। অনেকেই ফেসবুকে তার ছবি পোস্ট করে তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। সম্প্রতি কয়েকটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তার অত্যন্ত সাবলিল এবং আকর্ষণীয় বক্তব্য সবার নজর কেড়েছে।

রাজনীতি সচেতন মানুষ মনে করছেন, বঙ্গবন্ধুর পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের মধ্যে রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হতে যাচ্ছেন তন্ময়। ফেসবুকে তমন্ময়ের ছবি পোস্ট করে একজন লিখেছেন, ‘শেখ বংশের নতুন রাজনীতিক, শেখ সারহান নাসের তন্ময়। রাজনীতিতে স্বাগতম। রাজনীতির পাশাপাশি চলচ্চিত্রের নায়ক হলেও কিন্তু মন্দ হবে না।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘শেখ বংশের নতুন রাজনীতিক শেখ সারহান নাসের তন্ময়। চাইলে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিও নাড়িয়ে দিতে পারবে…অভিনন্দন আপনাকে।’

দেশে ফেরার পর থেকেই তন্ময় বাগেরহাট, খুলনা ও গোপালগঞ্জের বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হচ্ছেন। অতিথি হিসেবে রাখছেন বক্তব্যও।

তন্ময়ের বাবা শেখ হেলাল উদ্দীন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য। তবে আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসন থেকে নৌকার প্রার্থী হতে পারেন বলেও মনে করছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

গত মার্চ মাসের ৪ তারিখ খুলনার সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের জনসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনীতিবিদদের চোখে পড়েন এবং শেখ পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম হিসেবে আলোচনায় উঠে আসেন। জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুফু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তন্ময়ের কথা মুগ্ধ হয়ে শুনছিলেন তিনি।

জনসভায় তন্ময় বলেন, আমি এতো সুন্দর করে গুছিয়ে বক্তব্য দিতে পারি না। এখনো সেটা শিখে নিতে পারি নাই। তাই প্রথমত ধন্যবাদ জানাতে চাই মুরব্বীদের। আমাদেরকে সুযোগ দিয়েছেন, আপনাদের কাছ থেকে শিখতে এসেছি। আপনারা অনেক কষ্ট করছেন। এজন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।

জনসভায় আগত দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তন্ময় বলেন, আপনারা যে কষ্টটা করছেন আমরা সেটা এখানই বুঝতে পারবো না। আপনারা আজকে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা) তিনি আসবেন বলে এসেছেন।

আপনারাদের শুধু এতোটুকু আশ্বস্ত করতে পারি, যতটুকু অল্পস্বল্প জ্ঞানে বুঝি। আমাদের নেত্রী খুলনায় এবং আমাদের এই অঞ্চলের মানুষদেরকে ভুলে যাননি। কোন উন্নয়নের দিক থেকে আমরা পিছিয়ে নেই।

শেখ পরিবারের এই তরুন বলেন উপস্থিত কর্মীদের বলেন, আমাদের কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করে দেবেন। আজ নেত্রী এসেছেন। আপনারা এখানে সবাই এসেছেন।

ঐক্যবদ্ধভাবে এসেছেন। আমরা আগামী নির্বাচনে প্রমাণ করবো, দেখাবো-খুলনা অঞ্চল জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘাঁটি, খুলনা নৌকার ঘাঁটি। খুলনা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী।

বক্তব্যের শেষে পুনরায় বিনয়ী কন্ঠে শেখ তন্ময় বলেন, এখানে মুরব্বীরা আছেন। ওনারা বলবেন। আমাদের এখন শেখার সময়। আমরা শিখবো। ইনশাল্লাহ দেখা হবে, দোয়া করবেন। এরপর দরাজ গলায় জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয় হোক বাঙালী জাতির এবং বাঙালি অর্থনীতির…বলেন শেখ তন্ময়।

বঙ্গবন্ধ পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের এই সন্তানের বিনয়ী বক্তব্যে উপস্থিত নেতাকর্মীরা হাততালি দিয়ে স্বাগত জানান।

শেখ পরিবারের কে এই সুদর্শন তরুণ যিনি রাজনীতির মাঠ কাপাতে আসছেন

হিন্দি নয় ইংলিশ বলুন, ভারতীয় সাংবাদিকদের মাশরাফি

বাংলাদেশ ক্রিকেট অঙ্গনের অন্যতম সফল এবং নিঃস্বার্থ খেলোয়াড় হলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বাংলাদেশর প্রত্যেকটা মানুষের কাছেই খবুই প্রিয় একটি নাম। বাংলাদেশ জাতীয় দলকে অনেক কিছু দিয়েছেন তিনি।

মাশরাফির নেতৃত্বে এশিয়া কাপের ফাইনালে ছিল বাংলাদেশ। তাই দেশ-বিদেশি গণমাধ্যম গুলোর প্রধান টার্গেট টাইগার দলের এই অধিনায়ক।তাই তার আগেই মাশরাফিকে গুরুত্বসহকারে দেখেছিল ভারতীয় গণমাধ্যম গুলো। কিন্তু বিপত্তি অন্যখানে।

বার বারই সেদেশের সাংবাদিকরা হিন্দিতে কথা বলতে চেয়েছিল মাশরাফির সঙ্গে। কিন্তু তাতেই আপত্তি জানান তিনি। সর্বশেষ ইংরেজি বলতে বাধ্য হোন সাংবাদিক।দেশের শীর্ষ একটি দৈনিকে উঠে এসেছিল এই ঘটনাটি।

ইনডোরে শুক্রবার ব্যাটিং অনুশীলনটাই বেশি করলেন মাশরাফি। বের হতেই মুখোমুখি হোন ভারতীয় গণমাধ্যমের। কথা বলতে আপত্তি জানাননি মাশরাফি। তবে হিন্দিতে সাক্ষাত নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে সেদেশের সাংবাদিকরা। আর হিন্দিতে কথা বলতে আপত্তি জানান টাইগার দলের অধিনায়ক। শুরুতেই বলে নিলেন ‘ইংলিশ প্লিজ’।

ইংরেজি ছাড়া কথা বলবেন না। কিন্তু তারপরেও যখন হিন্দিতে কথা বলা শুরু করলেন ভারতীয় টেলিভিশনের এক সাংবাদিক, চট করে ক্যামেরার ফ্রেম থেকেই সরে গেলেন মাশরাফি।

পরে ইংরেজিতেই শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব। কিন্ত আবারো মাঝখানে হিন্দিতে ফেরার চেষ্টা। যথারীতি সাড়া দিলেন না তিনি। প্রসঙ্গত, পরবর্তী সময়ে কলকাতার বেশ কয়েকটি সাংবাদিক বাংলাতেই তার সাক্ষাৎকার গ্রহন করেন।