Home / লাইফ স্টাইল / সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি দয়া করে সামান্য সময় ব্যয় করে পড়ুন জীবনটা বদলে যাবে..

সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি দয়া করে সামান্য সময় ব্যয় করে পড়ুন জীবনটা বদলে যাবে..

সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি- একটু রূপবতী মেয়ে সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে রূপের চমক দেখিয়ে সবাইকে পেছনে ফেলে প্রথম হয়ে গেল সে! সেই সুবাধে মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লো তার সুনাম! মেয়েটা যে সুন্দর ছিলো সে ব্যাপারে করো কোনো সন্দেহ নেই।

সোশাল মিডিয়া TV. Facebook,Twitter, initagram, news peppers তার ছবি picture বাইরাল হয়ে চলছে কত রুপ কত সুন্দর চুল,নাক, চোখ, মুখমন্ডল দেহ* নিয়ে উনি খুবই অহংকার করে আমি বিশ্বের সেরা সুন্দর মেয়ে অথবা ছেলে এবং মানুষ কয়েকটা নাটক- সিনেমায় অভিনয়ও করে ফেললো!

অবশ্য অভিনয়ে চান্স পাওয়ার জন্য তার সুন্দর শরীরটাকে কয়েকটা পশুর ভোগবস্তু বানাতে হল। কিন্তু তবুও সে হ্যাপি! তার বিশ্বাস এই শরীরটা কিছুদিনের মধ্যেই তাকে বিখ্যাত করে তুলবে! কিন্তু, তার কপাল খারাপ!

সেদিন রাতে বাসায় ফেরার পথে আত্মীয়- হাতে খুন হলো সে! বাবা- মা ও আত্নীয় স্বজনদের চোখের পানি ঝরিয়ে মাটির নিচে জায়গা হলো তার।

তিনদিন পর তদন্তের স্বার্থে তার লাশটা কবর থেকে উঠানো হল।

কিন্তু একি! তার লাশটা উঠানোর পর উপস্থিত কয়েকজন বমি করে দিলো! এমনকি তার জন্মদাতা মা- বাবাও লাশের দুর্গন্ধে নাকে রুমাল চাপা দিলো! যে আবেদনময়ী শরীরটা দেখার জন্য হাজার হাজার চোখ পলকহীন চেয়ে থাকতো, সেই শরীরটার একি অবস্থা!

অথচ এই শরীরটার জন্যই সে বিখ্যাত হওয়ার স্বপ্ন দেখতো! তাই বুঝি তার বিখ্যাত শরীরটা সবাইকে দুর্গন্ধ বিলিয়ে শেষ বিদায় জানালো!

প্রিয়

বোন, আপু, বন্ধু-বান্ধবী ভাইয়ারা এই সুন্দরী সুন্দর রুপবতী শরিরটা আল্লাহর দেয়া নেয়ামত, তাই তোমাকে তার হুকুম মানতে হবে, আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাকে আমাকে ল্যাংরা, অন্ধ, কানা, বানিয়ে অথবা শরীলের কোনো এক অঙ্গ পতঙ্গ কম দিযে এই দুনিয়াতে পাঠাইতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা না করে আমাদের কত কিছুই না দিয়েছেন কত সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন আমাদের কে ,,,,আমাদের মহান সৃষ্টিকর্তা সর্বশক্তিমান আল্লাহ।

আমাদের সৃষ্টির সেরা মর্যাদা দিয়েছন। আসুন আমরা এই নেয়ামতের, শুকরিয়া আদায় করি আর পর্দা সাথে সঠিক সৎ পথে মহান আল্লাহর দেওয়া আইন আদেশ,নির্দেশ,নিষেধ মেনে চলি আমীন,,,,

ছেলের বউ সেবা করতে রাজি না বলে মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে দিয়ে আসার গল্প আপনারা শুনেছেন। ছেলেকে কুলাংগার ডেকেছেন,ছেলের বউকে তো আরো কত কি গালি দিয়ে ফেলেছেন। আমিও দিব।

কিন্তু,যার কোনো ছেলে সন্তান নেই,কিন্তু মেয়ে আছে,সেই বাবা-মা বৃদ্ধাশ্রমে থাকলে আপনারা মেয়েটাকে ছিঃ ছিঃ করেন না। ভাগ্যকে দোষ দেন। “আহারে,লোকটার একটা ছেলে নেই বলে!”

“আহা!লোকটার ভিটাভাড়ি চাকর-বাকর থাকলে ওরাই দেখাশোনা করত!” অথচ সেই মেয়েকেও অজস্র টাকা আর যত্ন দিয়ে লেখাপড়া করিয়ে মানুষ করে বাবা মা। একটা ছেলের মতই উপার্জন করছে তাদের মেয়ে। তাহলে কেন বাবা-মার ভরণপোষণ মেয়ে করতে পারবে না?

আপনারা সম অধিকারের কথা বলেন,কিন্তু বাবা মার প্রতি সমান কর্তব্য পালনের কথা কেন বলেন না? ছিঃ ছিঃ তা কিভাবে হয়? মেয়ের জামাইয়ের বাড়িতে মানুষ থাকে নাকি! তাই না? ধিক্কার জানাই সুশীল সমাজের এইসব সুশীল নিয়ম কানুনকে!

ইসলাম বৃদ্ধ পিতামাতার সেবা করাকে ফরয করেছে। কোথাও বলেনি এই বিধান শুধু ছেলেদের জন্য। তাহলে আপনারা এই বিধান দেয়ার কে,যেন মেয়েরা শুধু শ্বশুর শ্বাশুরির সেবা করবে,আর ছেলে তার শ্বশুর শ্বাশুরির দিকে ফিরে তাকাবে না?

শুনুন,ইসলাম জানুন,নিজের বিবেককে নাড়া দিন। আপনার স্ত্রী আপনার বাবা মার সেবা না করলে অবশ্যই সে বিবেকহীনা।

কিন্তু আপনার স্ত্রীকে তার বাবা-মার প্রতি ফরয দায়িত্ব পালন করতে বাধা দিলে আপনিও বিবেকহীন এবং গুনাহগার।
কাজেই মানসিকতা বদলান,সমাজ বদলাবে।