Home / লাইফ স্টাইল / জেনে নিন বিয়ের পর মেয়েদের বুক ও কোমড় মোটা হয় কেন?

জেনে নিন বিয়ের পর মেয়েদের বুক ও কোমড় মোটা হয় কেন?

বিয়ের পর মেয়েদের- বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই দেখা যায়, অনেক মেয়ের স্তন ও কোমর মোটা হয়ে গেছে। এ নিয়ে নানা ধরণের কথা বিভিন্ন সমাজে প্রচলিত রয়েছে। অবিবাহিতদের তুলনায় দম্পতিরা সাধারণত স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খেয়ে থাকেন। হলে স্তন ও কোমড় মোটা হয়ে যায়।

“দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়িত মেয়েরা অনেক সচেতনতার সঙ্গে আরও স্বাস্থ্যকরভাবে খাওয়া-দাওয়া করেন।” তবে তার মানে এই নয় যে তারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী।

অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিতা মেয়েরা শারীরিক পরিশ্রম কম করেন। দম্পতিদের বিএমআই’য়ের মাত্রা অবিবাহিতদের তুলনায় বেশি, নারী-পুরুষ উভয়েরই।

“সামাজিক ও শারীরিক বিষয়গুলো স্তনের উপর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আর বিয়ে এবং আনুষঙ্গিক পরিবর্তনগুলো শারীরিক পুষ্টি এবং ওজনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।”

বিবাহিত দম্পতিদের পাশাপাশি অবিবাহিত দম্পতিদের নিয়েও বাড়তি গবেষণা করেছেন গবেষকরা।“বাস্তবে দম্পতিরা সবক্ষেত্রে ততটা স্বাস্থ্যকর মিলন করেন না, যতটা মনে করা হয়।

সন্তান প্রসবের কষ্ট সম্পর্কে ইসলাম যা বলে

সন্তান জন্মদানের মাধ্যমেই প্রতিটি নারী জীবনে পূর্ণতা লাভ করে। সন্তান মহান প্রভুর একান্ত রহমত। চাইলেই কেউ সন্তান তৈরি করতে পারে না। আবার সন্তান জন্মদানে গর্ভবর্তী মায়েদের দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট স্বীকার করতে হয়। সন্তান ভূমিষ্টকালীন সময়ে নারীদের জীবনে থাকে অনেক ঝুঁকি। অনেক নারী প্রসবকালীন সময়ে মৃত্যুবরণ করে। নারীদের কষ্ট এখানেই শেষ নয়।

সন্তান ভূমিষ্টের পর দীর্ঘ ২/৩ বছর যাবত অনেক কষ্ট করতে হয়। এ সবের বিনিময়ে রয়েছে অনেক সাওয়াব। আর সন্তানের জন্য গর্ভধারিণী মায়েদের প্রতি রয়েছে অনেক হক বা অধিকার। এ কারণে আল্লাহ তাআলা মায়ের জাতিকে করেছেন সম্মানিত। হাদিসে পাকে এ ব্যাপারে এসেছে!

হজরত আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ছেলে ইবরাহিমের পরিচর্যাকারী হজরত সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! শুধু পুরুষদের উত্তম উত্তম সুসংবাদ দেন কিন্তু নারীদের কেন সুসংবাদ দেন না? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমার সাথীরা এ কারণে (নারীরা কারণ জানার জন্য) তোমাকে পাঠিয়েছে?

তিনি বললেন, হ্যাঁ, তারাই আমাকে উৎসাহ দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (নারীদের জন্য সুসংবাদ) ঘোষণা ইরশাদ করেন-– ‘তোমাদের কেউ কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, যখন তোমাদের স্বামী তোমাদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা অবস্থায় তোমরা স্বামীর পক্ষ থেকে গর্ভধারীনী হও, তখন তোমরা আল্লাহর পথে রোযাদারের সমান সওয়াবের অধিকারী হও।

আর যখন প্রসব বেদনা শুরু হয়, তখন আসমান ও জমিনের অধিবাসী কেউ জানে না, তার জন্য চক্ষু শীতলকারী কি পুরস্কার (ছেলে/মেয়ে) লুকায়িত থাকে। – আর যখন প্রসব হয়ে যায়, তখন নবজাতকের দুধপানের প্রতিটি ঢোক এবং প্রতিটি চোষণের বিনিময়ে একটি করে নেকী লেখা হয়।

আর যদি নবজাকতের কারণে (কোনো নারীকে রাত) জেগে থাকতে হয়, তাহলে প্রতিটি রাতের বিনিময়ে সত্তরটি ক্রীতদাস আল্লাহর রাস্তায় মুক্ত করার সওয়াব দেয়া হয়।’ (তাবারানি) সন্তান প্রসবের পর দুগ্ধদানকারীনী নারীদের প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মর্যাদা ও সাওয়াবের বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেন !

হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘নারীরা গর্ভধারণ থেকে নিয়ে (সন্তানকে) দুধ ছাড়ানো সময় পর্যন্ত আল্লাহর রাস্তায় পাহারাদারের ন্যায় সওয়াব পেতে থাকে। আর (এ নারী) যদি এ অবস্থায় মারা যায়, তাহলে শহীদের সওয়াব লাভ করবে।’ (তাবারানি)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব নারীদেরকে সন্তান জন্মদানের তাওফিক দান করুন। সন্তান প্রসব পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সন্তানকে বুকের দুধ পান করানোর তাওফিক দান করুন। হাদিসে ঘোষিত ফজিলত ও মর্যাদা দান করুন। আমিন।

বয়স বাড়বে কিন্তু শক্তি কমবে না

বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে বয়স বেড়ে গেলেই যৌন অনিচ্ছা চলে আসে। এর অনেক কারণ আছে। তবে সাধারণত থাইরয়েড বা ডায়াবেটিসের কারণেও এটি হতে পারে বলে চিকিৎসকরা জানায়। আবার এমনও হয়, মিলনের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও শক্তি হারিয়ে ফেলে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই বৃদ্ধ বয়সেও সক্রিয় যৌন জীবন পেতে পারেন অনায়াসে।

যৌবনে টেস্টোস্টেরন হরমোন যথেষ্ট পরিমাণে ক্ষরিত হয় বলে যৌন মিলনের বাসনা ষোলো আনা থাকে। কিন্তু, বার্ধক্যে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ কমে যায়। আর এজন্য ইচ্ছেটাও কমে যেতে থাকে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত মেদ শরীরের নমনীয়তায় নষ্ট করে দেয়। এর সঙ্গে শীঘ্র পতন, ধ্বজভঙ্গ, শ্বাসকষ্টের মতো একাধিক সমস্যা বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে।

তাহলে এ থেকে বাঁচার উপায় কী?

১।প্রথমেই শরীরের অতিরিক্ত ওজন, মেদ ঝরিয়ে ফেলুন।

২। ধূমপান বা মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে তা ছেড়ে দিন বা যতটা সম্ভব কমিয়ে ফেলুন।

৩। ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার, মিষ্টি, কোল্ড ড্রিংকস খাওয়া বন্ধ করতে হবে। পরিবর্তে প্রচুর শাক-সবজি, ফল খান।

৪। ব্লাড প্রেশারের ওষুধ, অ্যান্টি-হিস্টামিন, অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট, অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ওষুধ মিলনের ইচ্ছা কমিয়ে দেয়। তাই, চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে এসব ওষুধ খাওয়া উচিত।

৫। চিকিত্সকের পরামর্শ নিয়ে উত্তেজক ওষুধ খেতে পারেন। কিন্তু সাবধান, কারণ ব্লাড প্রেশার, সুগার, কিডনির অসুখে তা বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

৬। এর সঙ্গে শীঘ্রপতন ঠেকাতে আজকাল বাজারে বিভিন্ন ধরনের জেল ও স্প্রে পাওয়া যায়। সেইগুলো ব্যবহারে ভালো ফল মেলে। প্রয়োজনে এ ক্ষেত্রেও এগুলো ব্যবহারের আগে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।