Home / লাইফ স্টাইল / রাগকে আপনার নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, রাগ যেন আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে।

রাগকে আপনার নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, রাগ যেন আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে।

আইনস্টাইন বলেছেন, “Anger dwells only in the bosom of fools“ “রাগ থাকে শুধু বোকাদের মনেই। যে জিনিসটি আপনি রাগ দিয়ে শুরু করবেন, শেষ হবে লজ্জা দিয়ে। রাগ আসে হতাশা থেকে। যেটা আপনি আশা করেছিলেন জীবন থেকে, সেটা না পেলে আপনার রাগ আসে, তাই না? সেটা ব্যক্তি হোক বা বস্তু হোক।

রাগকে আপনার নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, রাগ যেন আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে। রাগ আপনার হবেই। জীবনটা এ রকমই, যে কোনো অবস্থায় যে কোনো মুহূর্তে আপনি রেগে যেতে পারেন। দীর্ঘ একটি নিঃশ্বাস নিন। রাগকে খেলতে দিন।
নীচে কয়েকটি মেথড এর কথা বলা হলো, যা হয়তো আপনার রাগ কমাতে পারে-
১. যেই মুহূর্তে আপনি কারও ব্যবহারে রেগে যাচ্ছেন, নিজের মনকে অন্য অবস্থায় নিয়ে আসুন। নিজেকে বলুন, আমার জীবনে আমি সুখী, কেন আমি এত ছোট্ট ব্যাপারে আমার সুখ নষ্ট করব? তাকে ক্ষমা করে দিন। ক্ষমা করলেন সে জন্য নয় যে সেই মানুষ এটির উপযুক্ত, বরং আপনার নিজের জন্য।

২. টেলিফোনে আপনি যদি রেগে যান, ক্ষতি হবে আপনারই। আপনি রাগের মাথায় যা বলবেন, পরে সে জন্য অনুশোচনা করবেন। অন্য পক্ষকে বলবেন, ‘আচ্ছা, আমি রাখি, পরে এ ব্যাপারে আলোচনা করব, কেমন?’
৩. খুব যদি রেগে যান, হাঁটুন, সাইকেল চালান, আপনার বাথরুমটি পরিষ্কার করুন, বুকডন দিন। দেখবেন রাগ অনেক কমে গেছে ।
৪. খুব দীর্ঘ একটি প্রশ্বাস নিন। দেখবেন আপনার পেট ফুলে উঠেছে। এবার মনে মনে গুনুন এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ। এবার আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস ছাড়ুন । কয়েকবার রিপিট করুন। দেখবেন রাগ কমে গেছে।
৫. খাতা আর কলম নিন। ঐ লোকের বিরুদ্ধে (যে আপনাকে রাগিয়ে তুলেছে) যা কিছু মনে আসে লিখে ফেলুন, গালাগালসহ। দেখবেন মনটি শান্ত হয়ে গেছে।
৬. যে মুহূর্তে রেগে যাবেন, সেই মুহূর্তে হাসার চেষ্টা করুন। আমি জানি, এটা খুবই কঠিন। চেষ্টা করুন আপনার প্রিয় গানটি গাইতে।
৭. একবার চিন্তা করে দেখুন, সত্যিই দরকার আছে কি না এ ব্যাপারে রেগে যাওয়ার।
এই সাতটি বিষয় অনুসরণ করে দেখুন, আপনার রাগ অনেক কমে গেছে।