Home / লাইফ স্টাইল / মেয়েরা ফোনে রোমান্স করার সময় এইসব কথাগুলি বেশি পছন্দ করে, দেখলে লোম খাঁড়া হয়ে যাবে…

মেয়েরা ফোনে রোমান্স করার সময় এইসব কথাগুলি বেশি পছন্দ করে, দেখলে লোম খাঁড়া হয়ে যাবে…

নিজের পার্টনারের কাছে যাওয়ার দুটি বড় মাধ্যম, ইন্টারনেট আর ফোন। কথা বলে তার কথার আওয়াজ অনুভব করার মজাই আলাদা। মোবাইলে কথা বলার একটি আসল ব্যাপার হল যে আপনি আপনার পার্টনারকে স্পর্শ করতে পারবেন আর না, তার কাছে যেতে পারে না। যখন অনেক রাতে আপনি আপনার পার্টনারের সাথে ফোনে কথা বলেন এবং যদি হঠাৎ তার মধ্যে ঝগড়া হয়ে যায় আর আপনার পার্টনার রেগে গিয়ে ফোনটা কেটে দেয় তখন আপনি আপনার পার্টনারের কাছে গিয়ে তাকে মানাতে পারবেন না, রাগ ভাঙাতে পারবেন না।

তাহলে কি করা যেতে পারে? তাই আপনি আপনার গালফ্রেন্ড/বয়ফেন্ডের সাথে এমন কিছু কথা বলুন যাতে তারা আপনার উপর মোহিত হয়ে যায় এবং আপনার সাথে কথা বলার জন্য উতলা হয়ে ওঠে। এতে আপনাদের মধ্যে রোমান্স আরও বেশি গভীর হয়ে উঠবে। তাহলে আসুন জানি আপনি আপনার পার্টনারের সাথে কি কি কথা বলতে পারেন যাতে আপনাদের সম্পর্ক আরো গভীর হয়ে ওঠে।

সময় লক্ষ্য রাখুন –

ফোনে রোমান্টিক কথা বলার আগেই এটা নিশ্চিত করুন যে আপনার গালফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ডের কাছে আপনার সাথে কথা বলার জন্য সময়টুকু আছে কিনা। যেমন ধরুন যদি আপনি আপনার গালফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড কে এমন সময় ফোন করেন যখন তার আপনার সাথে কথা বলার সময় নেই, তখন তাহলে সে আপনার কথাগুলোকে উপেক্ষা করে যাবে এবং তাতে আপনারই ক্ষতি হবে। এমন সময় কথা বলুন যাতে তার মন বসে আপনার কথায় এবং শুনতে তার ভালো লাগে। তার সঠিক সময়টি হলো রাত্রি বা মধ্যরাতে।

প্রথমে তার প্রশংসা দিয়ে শুরু করুন –

প্রথমে তার প্রশংসা দিয়ে শুরু করুন। যাতে সে ভাবে যে তার সাথে কথা বলতে আপনার খুবই ভালো লাগে। রোমান্টিক কথা দিয়ে শুরু করবেন না যাতে আপনার গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ডের মনে হতেই পারে যে আপনি শুধু রোমান্সের জন্য তাকে ব্যবহার করছেন।

মেজাজ ফ্রেশ করার চেষ্টা করবেন –

সারাদিনে এমন এমন ঘটনা জীবনে ঘটে ফলে মেয়েদের মেজাজ সবসময় ভালো থাকেনা। তার সাথে কথা বলার সময় সবসময় এই জিনিসটি মনে রাখবেন যাতে আপনি এমন কিছু কথা বলবেন যাতে তার মেজাজ ফ্রেশ হয়ে যায় এবং সে আপনার সাথে কথা বলতে আরও আগ্রহী হয়ে ওঠে।

আওয়াজের উপর লক্ষ্য রাখুন –

মেয়েরা ফোনে কথা বলার সময় ছেলেদের গলার আওয়াজের উপরই বেশি নজর দেয়। তাই এমন ভাবে কথা বলুন যাতে সে আপনার সাথে কথা বলতে আরো বেশি ভালোবাসে এবং আপনার গলার আবাসন এসে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে যায়। যাতে আপনি পরবর্তী সময়েও তার সাথে কথা বলতে গেলে সে কখনোই উপেক্ষা করবে না।

রোমান্সের সূত্রপাত করতে পারেন –

হাসি ঠাট্টা করার পর আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ডকে জিজ্ঞেস করতে পারেন যে সে কি পড়ে আছে বা কোন কালারের পোশাক পড়ে আছে। আর তা শুনে আপনি তার প্রশংসা করতে পারেন। কারণ মেয়েরা জামা কাপড়ের প্রতি খুব নজর দেয় এবং বিভিন্ন রকমের জামাকাপড় পড়তে খুব ভালোবাসে। আর যদি সে আপনার মুখ থেকে তার নিজের জামাকাপড়ের ব্যাপারে প্রশংসা শোনে তাহলে সে খুবই খুশি হয়ে যায় এবং আপনার জন্য তার মনে একটা স্পেশাল জায়গাও তৈরি হয়।

রোমান্সের অনেক ভাগ থাকে –

কথা বলার শুরুতেই কখনোই খুবই উত্তেজিত রমান্টিক কথা বলতে নেই। কারণ রোমান্সেরও অনেক ভাগ থাকে। তাই কথা বলতে বলতে শেষের দিকে খুবই রোমান্টিক কথা ভালো। যাতে সে উত্তেজিত হয়ে পড়ে সেইরকম কথা বলা উচিত।

মনোনিবেশ সরাতে দেবেন না –

এমন কোনো কথা বলবেন না যাতে আপনার গার্লফ্রেন্ডের মন অন্য কারো দিকে চলে যায়। যেমন ধরুন নিজের ex-girlfriend ব্যাপারে হঠাৎ কোনো গল্প শুরু করে দেবেন না। যাতে পুরো সময়টি খারাপ হয়ে যায় এবং আপনার গার্লফ্রেন্ডের মনোনিবেশ অন্যদিকে চলে যায়।

রোমান্সের পর নিজে আগে থেকে ফোন কাটবেন না –

রোমান্টিক কথা বলার পরই আপনি হুট করে নিজে থেকে ফোন কাটবেন না। তাহলে আপনার গার্লফ্রেন্ড ভাবতে পারেন যে আপনার কাজ শেষ হয়ে গেছে তাই আপনি এখন চলে যেতে চাইছেন। তাই বুঝে তার কথা শুনে সে যদি আগে ফোন কাটে তারপরই ফোন কাটুন না হলেই নয়।

এই সমস্ত উপায় গুলো যদি আপনি আপনার রোমান্টিক জীবনে ব্যবহার করেন তাহলে নিশ্চয়ই অনেক ভালো ভালো মুহূর্ত আপনি পেতে পারেন এবং নিজের রোমান্টিক জীবণকে আরো সুন্দর গভীর করে তুলতে পারেন।