Home / লাইফ স্টাইল / জেনে নিন অ্যালোভেরা জেল এর ব্যাবহার বিধি সম্পর্কে। বেশি বেশি শেয়ার করুন সবার কাছে।

জেনে নিন অ্যালোভেরা জেল এর ব্যাবহার বিধি সম্পর্কে। বেশি বেশি শেয়ার করুন সবার কাছে।

এলোভেরা জেলের ৫টি ফেস মাস্ক: বহুকাল ধরে রূপচর্চার প্রসাধনীগুলোতে এর জেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চুলের বৃদ্ধিতে শ্যাম্পু ও তেলেও এটি ব্যবহৃত হয়। তাই আসুন জেনে নেই, ঘরে বসে এলোভেরা ফেস মাস্ক ব্যাবহারে কিভাবে পাবেন সুন্দর, স্বাস্থ্যজ্জল, দাগহীন ও কোমল ত্বক।

১। উজ্জ্বল ত্বকের জন্য এলোভেরা ফেস মাস্ক: খুব সহজেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে উজ্জ্বল ত্বক পেতে এই জেল আপনাকে সাহায্য করবে।
মধু হলুদ এলোভেরা জেল ব্যবহার বিধি: এক চিমটি হলুদের গুঁড়া ও ১ চা চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটির সাথে এলোভেরার জেল মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। মুখে, গলায় বা হাত-পায়ে পেস্টটি লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১-২ বার এই মাস্ক ব্যাবহারে আপনি পেতে পারেন উজ্জ্বল ও ফর্শা ত্বক।

২। দাগ দূর করতে এলোভেরা ফেস মাস্ক: দাগবিহীন নিখুঁত ত্বক পেতে বেছে নিতে পারেন এলোভেরা।
এলোভেরা জেল লেবুর রস ব্যবহার বিধি: এলোভেরার দু’পাশের কাঁটাগুলো কেটে ফেলে দিয়ে ব্লেন্ডারে পিষে নিন। তারপর একটি লেবুর সম্পূর্ণ রস বের করে এর সাথে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ফ্রিজে ১ সপ্তাহ পর্যন্ত ভাল থাকবে। মুখে, গলা, হাত বা পায়ের রঙ হালকা ও দাগ দূর করতে প্রতিদিন লাগিয়ে ১৫ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি রোঁদে পোড়াভাবও দূর করে।

৩। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এলোভেরা ফেস মাস্ক: অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা দূর করে ত্বককে কোমল, ঝকঝকে ও মসৃণ করে তুলতে এই ভেষজটি বেশ কার্যকরী। মুলতানি মাটি এলোভেরা মধু লেবুর রস ব্যবহার বিধি: মুলতানি মাটির সাথে মধু, লেবুর রস ও এলোভেরা জেল মিশিয়ে ঘন পেস্ট বানিয়ে নিন। মুখে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার মাস্কটি ব্যাবহারে মুখের তৈলাক্ত সমস্যা দূর হবে।

৪। রোঁদে পোড়াভাব কমাতে: খুব সহজেই হাত-পা, মুখ বা শরীরের যেকোনো স্থানের রোঁদে পোড়াভাব কমাতে ঘৃত কুমারী ব্যাবহার করতে পারেন। মসুর ডালের গুঁড়া বা পেস্ট তাজা এলোভেরা কাঁচা টম্যাটো ব্যবহার বিধি: একটি কাঁচা টম্যাটোর মাঝখান থেকে শাঁসটুকু নিবেন। মসুর ডালের পাউডার বা পেস্টের সাথে এলোভেরা জেল ও টম্যাটোর শাঁস মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। মুখে, গলায় এবং হাত-পায়ে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি খুবই পরিষ্কার ত্বক অনুভূত করবেন। যাদের ত্বক শুষ্ক তারা মাস্কটি ধুয়ে ফেলার পর ভেজা ত্বকেই কয়েক ফোঁটা নারিকেল তেল ও দুধের মিশ্রণ লাগিয়ে নিবেন। এতে করে ত্বক ময়েসচারাইজড থাকবে।

৫। যে কোন ধরনের ত্বকের জন্য ফেস মাস্ক: ত্বককে প্রাকৃতিক উপায়ে পরিষ্কার ও সমস্যা মুক্ত রাখতে বেছে নিন ঘৃতকুমারীকে।
শসার পেস্ট এলোভেরা জেল টক দই মধু ব্যবহার বিধি: তাজা শসার পেস্ট করে তার সাথে তাজা এলোভেরার জেল মিশিয়ে নিন। টক দই ও মধুও মিশিয়ে নিন। পরিষ্কার মুখে মাস্কটি লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটির প্রতিদিনের ব্যাবহারে রোঁদে পোড়াভাব দূর হয়। ব্রণের দাগ বা দাগ হালকা করতেও এটি সাহায্য করে। এটি ত্বককে পরিষ্কার করে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে আপনাকে দিবে সমস্যা-মুক্ত ত্বক।
আপনার ত্বক এবং সমস্যা বুঝে একটি ফেস মাস্ক ব্যাবহার করা শুরু করে দিন। ঘরে বসেই নিজেকে করে তুলুন আর আকর্ষণীয় ও সুন্দর ত্বকের অধিকারী।