Wednesday , January 16 2019
Home / স্বাস্থ্য টিপস / চুনের ঔষধীয় গুণ সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন আপনিও!

চুনের ঔষধীয় গুণ সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন আপনিও!

যদিও অনেক কম লোকই পানের সাথে ব্যবহৃত চুনের লাভের কথা জানে। তথাপিও চুন আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী! অবাক হলেও সত্যি! যথাযথ মাত্রায় ও উপায়ে চুন ব্যবহার করে অনেক মারাত্মক রোগের চিকিৎসা করা যায়।

চুন ক্যালসিয়ামযুক্ত অজৈব পদার্থ, যার মধ্যে কার্বোনেট, অক্সাইড, হাইড্রোঅক্সাইড রয়েছে। সকলেই পান খাওয়ার পরামর্শ দিবে না। কিন্তু চুনের স্বাস্থ্যগত উপকারীতা ও প্রয়োগ পদ্ধতি জেনে নিলে হয়তো চুনের ব্যবহার কেউ নিষেধ করবে না।

বাচ্চা দৈহিক বৃদ্ধিতে সহায়ক: যদি আপনি আপনার বাচ্চার উচ্চতা বাড়াতে চান তবে চুনের ব্যবহার অনেক লাভজনক হবে। কারণ চুনে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়তা করে।

গমের দানা সমপরিমাণ চুন দইয়ের অথবা ডালের সাথে মিশিয়ে বাচ্চাকে খেতে দিবেন। বাচ্চা দ্রুত লম্বা হবে। এছাড়াও চুন বাচ্চার মস্তিষ্ক শক্তিশালী করবে।

রক্তশূণ্যতা দূর করে: শরীরের রক্তের ঘাটতি পূরণে চুন খুবই সহায়ক।

ডালিম অথবা কমলার জুসের সাথে গমের দানা পরিমাণ চুন মিশিয়ে পান করলে শরীরে দ্রুত রক্ত ‍বৃদ্ধি হবে।

গর্ভবতী মহিলাদের জন্য: চুন গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খুবই উপকারী। গর্ভবতী মহিলাদের শরীরে চুনের ঘাটতি হয়। এজন্য গর্ভবতী মহিলাদের প্রতিদিন সামান্য পরিমাণ চুন খাওয়া উচিৎ। চুন শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি কমাতে সহায়ক।

ব্যাথানাশক: চুন বিভিন্ন প্রকার ব্যাথানাশ করতে পারে। কাঁধ ও হাঁটুর ব্যাথা চুন সেবনে ভাল হয়। স্পন্ডিলাইসিসের মত মারাত্মক রোগ, যার ফলে মেরুদণ্ডের চাকতি সরে যায় তার ব্যাথাও চুন দ্বারা ঠিক হতে পারে! ভেঙ্গে যাওয়া হাড় দ্রুত জোড়া লাগাতেও সহায়ক। হাড় ভাঙ্গলে প্রত্যহ সকালে খালি পেটে সামান্য পরিমাণ চুন সেবন করতে হবে।

অন্যান্য লাভ: শুক্রাণু গঠন কম হলে এক গ্লাস আখের রসের সাথে এক চিমটি পরিমাণ চুন মিশিয়ে পান করলে শুক্রাণু বৃদ্ধি পাবে।

চুন জণ্ডিসের জন্য সবথেকে ভাল পথ্য। আখের রসের সাথে একটি গমের দানা পরিমাণ চুন মিশিয়ে পান করলে দ্রুত রোগ থেকে উপশম মিলবে।

মুখে ঘা হলে পানিতে সামান্য চুন মিশিয়ে কুলকুচা করলে ঘা দ্রুত ভাল হয়।