Wednesday , January 16 2019
Home / লাইফ স্টাইল / চাল ধোয়া পানি ও ভাতের মাড় ফেলে দিচ্ছেন? জেনে নিন দারুন সব উপকারিতা!

চাল ধোয়া পানি ও ভাতের মাড় ফেলে দিচ্ছেন? জেনে নিন দারুন সব উপকারিতা!

মাছে-ভাতে হোক কিংবা ডাল-ভাতে; বাঙালির খাবারে ভাত থাকতেই হবে। তবে ভাতের ব্যবহার থাকলেও চাল ধোয়া পানি এবং পানি দিয়ে চাল ফুটিয়ে ভাত হওয়ার পর সেই পানিটুকু (ভাতের মাড়) আমরা কোনো কাজেই লাগাই না। তবে বিজ্ঞানীদের মতে ভাতের উপকার যেমন, ব্যবহৃত পানির গুণ তার থেকে কম নয়। জেনে নিন চাল ধোয়া পানি ও ভাতের পানির গুণাগুণ।

চাল ধোয়া পানি ও ভাতের পানি ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। এই পানি কাচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিলে গুণাগুণ নষ্ট হবে না। আর এই পানি প্রতিদিন নানাভাবে ব্যবহারও করতে পারবেন।

ত্বকের যত্নে: গোসলের সময় নিয়মিত চাল ধোয়া পানি ব্যবহার করলে ত্বকের পুষ্টির জোগান দেবে। ত্বক হবে আরো মসৃন। বয়সের ছাপও ত্বকে পড়বে দেরিতে।

চুলের যত্নে: চুল আগে ভালো করে শ্যাম্পু দিয়ে পরিষ্কার করুন। এরপর চুলে চাল ধোয়া পানি দিন, অনেকটা কন্ডিশনার যেভাবে ব্যবহার করে থাকেন। কয়েক মিনিট পরে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল ভাল থাকবে।

ত্বকের সংক্রমণে: দিনে অন্তত দুবার চাল ধোয়া পানি দিয়ে গোসল করলে ত্বকের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

স্বাস্থ্য সুরক্ষায়: চাল ধোয়া পানিতে রয়েছে আট রকমের অ্যামিনো অ্যাসিড। যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভাল। শরীর পরিষ্কার রাখতে তাই চাল ধোয়া পানিও খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।

ব্রণের সমস্যায়: ব্রণের সমস্যার অন্যতম সমাধান কিন্তু চাল ধোয়া পানি। ব্রণের উপর তুলোয় করে এই পানি লাগিয়ে রাখুন। দেখবেন কত তাড়াতাড়ি ব্রন সেরে যায়।

ডায়রিয়ার ওষুধ: কারো ডায়রিয়া হলে ডাক্তার রাইস স্যালাইন পথ্য হিসেবে দিয়ে থাকেন। বাজারে তো রাইস স্যালাইন পাওয়াই যায়, তবে বাসাতেও কিন্তু আপনি অজান্তেই তা বানাচ্ছেন এবং ফেলেও দিচ্ছেন। ভাত হওয়ার পর তার পানিতে সামান্য লবন মিশিয়ে নিলেই কিন্তু তৈরি হচ্ছে স্বাস্থ্যকর রাইস স্যালাইন।

পুষ্টির উৎস: ভাত খেতে চাইছেন না, কিন্তু ভাতের উপকার চাইছেন? ভাতের পানি লবন মিশিয়ে চুমুক দিন। একগ্লাস পানিতেই এক প্লেট ভাতের পুষ্টিগুণ পেয়ে যাবেন।