Wednesday , January 16 2019
Home / লাইফ স্টাইল / মেয়েরা কেউ মাইন্ড করবেন না, সবাই ২ মিনিট সময় নিয়ে পড়বেন প্লিজ?

মেয়েরা কেউ মাইন্ড করবেন না, সবাই ২ মিনিট সময় নিয়ে পড়বেন প্লিজ?

মেয়েরা কেউ মাইন্ড করবেন না-

প্রেম করেছো নিজের ইচ্ছায়।
হোটেলে সহবাস করেছো নিজের ইচ্ছায়।

প্রেমিকের সাথে যখন
তখন ফোনে সেক্স করেছো।
সেটাও নিজের ইচ্ছায়।

ডেটে গেলে শরীরের জায়গায় জায়গায় হাত দিতে দিয়েছো।
কাওকে জিজ্ঞেস কর নাই,,,,,
কাজটা কি ঠিক না বেঠিক ?

দিন শেষে প্রেমিক তোমাকে ছেঁকা দিয়ে
চলে গেল,,,,,!!!

এখন তোমার মাথায় বুদ্ধির উদয় হয়েছে।
এখন বলছো,,, পৃথিবীর সব ছেলেরাই খারাপ।

তুমি যে খারাপ ছেলেটাকে বেছে
নিয়েছিলে,
তা তো বলো না!

তোমাদের তো এসব লুচ্চা ছেলেরই পছন্দ,
যারা লুতু পুতু কথা বলে মেয়ে পটাতে পারে,,,,,,

কখনো কি বুঝার বা জানার চেস্টা করেছো,,,,
একজন ছেলের পার্সোনালিটি বলতে
কি বুঝাই??

যে ছেলে তোমার পিছে ঘুরে, তোমাকে ইম্প্রেস
করছে তার,,কি ভরসা, যে সে অন্য
মেয়ের পিছে ঘুরবে না?

কিন্তু না এসবের পর ও ,,তুমি যে নিজেই তার হাতে
তোমার সম্ভ্রম তুলে দিয়ে, তার কাছে তোমাকে
সস্তা করে দিয়েছো,,

তা আর স্বীকার করবে না।
ওই ছেলে নিশ্চিত বাহিরে বলে বেরাবে
“ওই মেয়েটা ভালো না আমিও করছি,,!

এই কথা তো আর মিথ্যা না,,,,!!!
তাকে এই কথা বলার সুযোগ দিলো কে?
তুমিই তো নাকি???

এরপর 12 13 জাতিকে
গালি দিয়ে,,, বাবা-মা এখন যার সাথে বিয়ে
দিবে,,,তাকেই বেচে নিয়ে চুপ থাকবে,,,!!!

তোমার এই ব্যবহৃত শরীরকে, সতীত্বের মিথ্যা
মোড়কে পেচিয়ে,,,, তাকে উপহার দিবে,,,,!!!!
হ্যা বাবা-মা যা করে সন্তানের ভালোর
জন্যেই করে।

যে ছেলেটিকে বিয়ে করে জীবন কাটিয়ে দিবে
সেও একটি পুরুষ।মেয়েদের কাছে অাশা করবো সুধু
সুন্দর প্লেবয় টাইপ ছেলেদের বয়ফ্রেন্ড না বাছাই

করে,ক্লাশের লাষ্ট ব্রেঞ্চে বসা সান্ত
ছেলেটাকে সুযোগ দিবে। সে আর যাই করুক তোমার
মন ভাংবেনা।

এই লেখাটা হয়তো অনেকের কাছেই
ভালো লাগবে না,,,,,,,,,,,!!!!

কিন্তু, এটাই বাস্তবতা।
খারাপ লাগলে,
→ দয়া করে ক্ষমা করবেন…. ।।

অল্পতেই জল আসে চোখে? তাহলে আপনার মধ্যে রয়েছে এক বিশেষ গুণ!

মানুষ মাত্রই তাঁর অনুভূতি ও আবেগ থাকা স্বাভাবিক। কারওর বেশি থাকে, কারও বা কম। কেউ আবার আবেগপ্রবণ হলেও তা সবার সামনে প্রকাশ করতে পারেন না কখনো। আপনার কি কথায় কথায় চোখে জল চলে আসে?

তাহলে আপনার মধ্যেই কিন্তু রয়েছে বিশেষ গুণ । অনেকেই আছেন, যাঁদের অন্যের দুঃখ দেখেও চোখে জল আসে। এক কথায় এরা খুবই সংবেদনশীল এবং আবেগ প্রবণ হয়। কিন্তু সমাজের বড় অংশটাই এঁদের মনে করে দুর্বল ।মনোবিদরা আবার অন্যরকম মনে করেন।

এক সর্ব ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি একটি গবেষণার মাধ্যমে মনোবিদরা জানতে পেরেছেন, যাঁরা অতিরিক্ত মাত্রায় কাঁদেন তাঁদের মধ্যে কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যও থাকে।

মনের মধ্যে কোনও কষ্ট জমে থাকলে তা খুবই ক্ষতিকারক। উল্টোদিকে যাঁরা কেঁদে নিজের কষ্ট বের করে ফেলতে পারেন, তাঁদের পক্ষে সেই কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসাও তুলনামূলক ভাবে একটু সহজ।

জীবনে বড় কোনও ধাক্কা খাওয়ার পরে মুহূর্তের জন্য কাঁদলেও, এঁরা সেই কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসেত পারেন ওনেক সহজে। অনেকের ধারণা যাঁরা কাঁদেন তারা কখনো ভীতু হন। কিন্তু মনোবিদরা উলটো মনে করেন। তাঁদের মতে, যাঁরা কাঁদেন, তাঁরা সাহসী হন। নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে তাঁরা ভয় পান না।

অনেকে কান্না চেপে রাখেন নিজেকে দুর্বল হিসেবে লোকের সামনে দেখাতে চান না তাই। কিন্তু যাঁরা সমস্ত দুঃখ-কষ্টকে মেনে নিয়ি কাঁদতে ভয় বা লজ্জ্বা পান না তাঁরাই হলো আসল সাহসী। যাঁরা বেশি কাঁদেন তাঁরা জীবনে সমতা বজায় রাখতে সক্ষম হন।

এঁরা জানেন কেঁদে মনের ভার হালকা করলে জীবনের পথে চলতে তাঁদের বরং সুবিধাই হবে। উল্টোদিকে যাঁরা না কেঁদে, কষ্ট ভিতরে আটকে রাখেন তাঁদের মাথায় ও জীবনে সেই কষ্ট প্রভাব ফেলে সবথেকে বেশি ।