Wednesday , January 16 2019
Home / লাইফ স্টাইল / সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃত্যু (মিস করবেন না স্বামী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)

সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃত্যু (মিস করবেন না স্বামী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)

সিজারে বাচ্চা নেওয়ার –  এক নার্স (সেবীকা)হলি ক্রস মেডিক্যালএর চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন ! গত মাসে তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয় । আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম সিজারে অনেক বাচ্চা ই তো পৃথিবীতে নিয়ে আসলি অপারেশন করে , এখন তোর সিজার কোন চিকিৎসক করবে ?

উত্তরে জানায় ,

নরমাল ডেলিভারি ‘র জন্য প্রিপারেসন নেওয়া হয়েছে । কারন ! সিজারে বাচ্চা হলে একজন নারী ২য় ,৩য় বার পুনরায় মা হতে গেলে ঝুকি থাকে ৯০.৭ % । অনেক সময়েই বাচ্চার শরীর ছুরি , কাচি লেগে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতি হয় যা আমাদের দেশের চিকিৎসক গন কাউকেই বলেন না ! অর্থের লোভে প্রত্যেক গর্ভবতী মা কে মেডিক্যাল চেকাপ এর আগে থেকে ই বলে রাখা হয় সিজারে বাচ্চা নিতে হবে অন্যথায় ! মৃত্যু ঝুঁকির ভয় দেখানো হয় । জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিসয়ক সংস্থা WHO জানিয়েছে একটি দেশে ‘র ১৫% মেয়ে যদি একান্তে ই না পারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তে বাচ্চা নিতে , সে ক্ষেত্রে সিজার করাতে হবে ।

আমার দেশে বর্তমান সিজারে বাচ্চা হচ্ছে সে অনুপাতে ৯৭.৩% যা নারী স্বাস্থ্য’র জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । এই সিজারে বাচ্চা নিতে গেলে যেমন মা মারা যায় বেশীরভাগ সময় তেমনি ক্ষতি হয় নব জন্ম নেওয়া শিশুটির । সিজারে হওয়া বাচ্চা অনেক বেশী অসুস্থ থাকে একটু খেয়াল করে দেখবেন, যা নরমালে হওয়া বাচ্চাদের হয় না খুব একটা । প্রতি বছর সিজারে বাচ্চা হতে গিয়ে মারা যায় আমাদের দেশে ২৭.৯% মা ,শিশু । এই ছারাও সিজার অপারেশনে রোগীর জন্য রক্ত চাওয়া হয় অনেক সময় ই ১০-১৫ ব্যাগ , যার মধ্যে বড় জোর ২ ব্যাগ রক্ত কাজে লাগিয়ে অন্যগুলো বিক্রি করা হয় । সামাজিক স্ট্যাটাস হয়ে গেছে এখন সিজারে বাচ্চা নেওয়া ! যা বর্তমান নারী দেহ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে নীরবে,

চিকিৎসকরা সবই জানেন , বুঝেন কিন্তু হাঁসপাতালের মালিক দের খুশী রাখতে এবং নিজেদের অর্থনীতি কে শক্তিশালী করতে তারা করেন নারীর পেট কাঁটা বিজনেস ।

নিজেকে স্লিম দেখানোর জন্য ৯টি দারুণ কার্যকরী কৌশল

ছবিতে নিজেকে স্লিম এবং আকর্ষণীয় লাগুক এটা সবাই চাই। কিন্তু অনেক সময় শুকনো মানুষকেও মোটা দেখায় নিজেরই কারণে। আবার মোটা ও স্বাস্থ্যবান মানুষরা ছবিতে মোটা দেখায় বলে ছবি তোলা থেকে বিরত থাকেন। আবার অনেকেই এমন আছেন যাদের ছবিতে অনেক বেশি স্লিম দেখায়। আসলে মোটা-চিকন কোন বিষয় নয়, মূল বিষয় হলো ক্যামেরার সামনে আপনি কীভাবে পোজ দিচ্ছেন সেটি। কিছু উপায় আছে যেভাবে ছবি তুললে ছবিতে নিজেকে স্লিম দেখাবে।

জেনে নিন কৌশলগুলো-

১। লো অ্যাঙ্গেলে ছবি তুলবেন না

অনেকে হাঁটুর নিচ থেকে ক্যামেরা তাক করে ছবি তুলে থাকেন। এভাবে ছবি তুললে মোটা লাগার পাশাপাশি অনেক বিশ্রীও লাগবে। এমন পোজে ছবি তোলা থেকে বিরত থাকুন। সবচেয়ে ভালো হয় হাঁটুর কিছুটা উপর থেকে ক্যামেরা পোজ করে ছবি তোলা।

২। ডবল চিন যেন না পড়ে

প্রোফাইল ছবিতে থুতনির নিচে ভাঁজ পড়লে খুব বাজে দেখায়। সেটা যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। ছবি তোলার সময় ঘাড় কিছুটা প্রসারিত করে কিছুটা হেসে ছবি তুলুন। এতে ছবিতে ডাবল চিন পড়বে না।

৩। একপাশে হয়ে ছবি তলুন

ডান বা বামপাশ যে কোন একপাশ হয়ে ছবি তলুন। কোন পাশে ছবি তুললে নিজেকে স্লিম দেখায়, সেটি খুঁজে বের করুন। ছবি তোলার সময় সেপাশে পোজ দিয়ে ছবি তলুন।

৪। কোমরে হাত দিয়ে

কোমরে হাত দিয়ে কিছুটা বাঁকা হয়ে ছবি তলুন। এতে হাতের পেশি অনেক শুকনো দেখাবে। একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন, অনেক সেলিব্রেটিসরা রেড কার্পেটে হাঁটার সময় এই ভঙ্গিতে ছবিতে পোজ দিয়ে থাকেন।

৫। ব্যাগকে সামনে রাখুন

যদি খুব বেশি টাইট বা ভারী কোন পোশাক পরে থাকেন, তবে ছবি তোলার সময় ব্যাগটি সামনের দিকে নিয়ে আসুন। এতে টাইট পোশাক আড়াল হবে।

৬। পেট ভিতরে রাখার চেষ্টা করুন

যদি ভুড়িও থাকে, তাহলে ছবি তোলার সময় কিছুক্ষণের জন্য ভুড়িটিকে যতটা সম্ভব ঢুকিয়ে রাখার চেষ্টা করুন। এছাড়া ছবি তোলার সময় বুক সামনে ও কাঁধ পিছনে রেখে ছবি তোলার চেষ্টা করুন।

৭। সেলফি বা গ্রুপ ছবি তোলার ক্ষেত্রে

গ্রুপ সেলফি বা গ্রুপ ছবি তোলার সময় সামনে কখনও দাঁড়াবেন না। সামনে বা মাঝখানে ছবি খারাপ আসে।

৮। পা ক্রস করে বসুন

বসে ছবি তোলার ক্ষেত্রে পা ক্রস করে বসে ছবি তুলুন। এতে ছবি বেশ ভালো আসবে।

৯। একই রঙের পোশাক পরুন

যদি ছবিতে নিজেকে স্লিম দেখতে চান তবে মাথা থেকে পা পর্যন্ত একই রঙের পোশাক পরুন। একই রঙ্গের না হলেও কাছাকাছি রঙের পোশাক পরার চেষ্টা করুন।